"স্তন" বা "ব্রেষ্ট" ক্যান্সার

 



✍️ কেন "স্তন" বা "ব্রেষ্ট" ক্যান্সার হয়-
⚠️ দেরিতে সন্তান নেয়া।
⚠️ শিশু কে বুকের দুধ দিতে অনীহা করা।
⚠️ সবুজ শাক সবজি কম খাওয়া।
⚠️ শারীরিক প্ররিশ্রম কম করা।
⚠️ অতিরিক্ত স্থুলতা।
⚠️ বগলে চাকা দেখা দেওয়া।
⚠️ রক্তের মাধ্যমে ক্যানসার কোষ বাহিত হয়ে দেহের অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
⚠️ যা সিটি স্ক্যান বা ম্যামোগ্রাফির মতো পরীক্ষায়ও সহজে ধরা পড়ে না।
কী করে বুঝবেন?
ক্যানসার ফিরে আসা অনেকটাই নির্ভর করে পারিবারিক ইতিহাসের ওপর।
হঠাৎ স্তনে ব্যথা অনুভব হলে সাবধান হওয়া উচিত। ক্যানসার ফিরে আসার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ এটি। বুক, পিঠ, পাঁজরের হাড়ের
ভেতর তীক্ষ্ণ যন্ত্রণা হতে পারে। স্তনের আকারে হঠাৎ কোনো পরিবর্তন চোখে পড়লে সাবধান হতে হবে। এ ছাড়া নিজের হাতের
স্পর্শে মাঝেমধ্যে খেয়াল করুন, স্তনে কোনো ফোলা বা গোটা বা পিণ্ড রয়েছে কি না। তেমন হলে বুঝতে হবে, ক্যানসার ফিরে
আসছে।
ঠান্ডার সমস্যা না থাকার পরও শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা বুকে চাপ অনুভব হলে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, স্তন
ক্যানসার সেরে ওঠার পর তা ফুসফুসে ছড়িয়ে যেতে পারে। ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের ফলে অনেকে ক্লান্ত থাকেন। এর জন্য
পর্যাপ্ত বিশ্রাম দরকার। বিশ্রাম নেওয়ার পরও ক্লান্তি বা দুর্বল অনুভব করলে সেটা স্বাভাবিক নয়।
মেটাস্ট্যাটিক স্তন ক্যানসার মস্তিষ্ক পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। তেমনটা হলে স্নায়ুজনিত সমস্যা হতে পারে। কোনো ঘটনা
ভুলে যাওয়া, মাথাব্যথা করা, দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
কী করবেন?
প্রথম কথা হলো, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী স্তন ক্যানসারের পূর্ণ চিকিৎসা করতে হবে। অনেকে মাঝপথে চিকিৎসা
ছেড়ে দেন, এটা ভয়ংকর। দ্বিতীয়ত, পুরোপুরি সেরে ওঠার পরও বা সুস্থ হওয়ার পরও নির্দিষ্ট সময় পরপর চিকিৎসকের চেকআপে
থাকতে হবে।
বাংলাদেশের স্তন ক্যান্সারের রোগীদের নিয়ে একটি কাজের ম্যানুস্ক্রিপ্ট প্রায় শেষ পর্যায়ে। কাজটি ছিল-কেন স্তন
ক্যান্সারের রোগীরা চিকিৎসা নিতে দেরি করে? কারণের মধ্যে একটি হচ্ছে অনেক রোগীরা প্রাথমিক লক্ষণ আচ করার পরও ভয়ে
চিকিৎসকের কাছে যেতে চায় না, যদি ক্যান্সার শনাক্ত হয়!
অন্যদিকে স্তনে পেইনলেস চাকা অনুভব করার পরও প্রায় ৭৫% মনে করে, এটা আসলে কিছুই না, এমনিতেই সেরে যাবে।
টেক হোম মেসেজ
চোখ বন্ধ করে দিনকে রাত বানানো যায় না। সমস্যা আচ করতে পারলেই ব্যবস্থা নিতে হবে যদিও সেটা পরবর্তীতে ভুল প্রমাণিতও
হতে পারে। ফলস পজিটিভ ভাল জিনিস।
লিখেছেনঃ
ডা. মো: হারুনুর রশিদ
ডি এইচ এম এস ঢাকা
☎️মোবাইলঃ 01963-895602
🚫সতর্কতা↔️যত্রতত্র জায়গায় চিকিৎসা নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
জার্মান হোমিও কমপ্লেক্স
বোর্ড বাজার = গাজীপুর
ঢাকা

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

যে মহিলার স্বামীর মন জয় করতে পারে না।

যৌনতা_লজ্জা_নয়

বাচ্ছার ঘাড়ে একাধিক বার নাড়ি পেঁচানো।